শিরোনাম :
ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক, স্ত্রী গ্রেপ্তার সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: কূটনৈতিক ঘাটতি প্রশ্নে যা বললেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন সিলেটের এহতেশাম ও প্রীতম, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল আজ থেকে ফের রাত ৮টায় বন্ধ করতে হবে দোকানপাট জৈন্তাপুরে দুই মেম্বারের সমর্থকদের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫ সিলেটে ২৭ দিনে ৫ খুন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া সেই আসির মিয়া পানসি রেস্টরেন্ট থেকে গ্রেপ্তার দীর্ঘসময় ইতালির ক্ষমতায় থাকা মেলোনিকে মোদীর শুভেচ্ছা, বার্তায় কী লিখা ছিল? লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে সিলেটের যুবক নিহত ফ্যামিলি কার্ড : দিরাইয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রদলের অবস্থান
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন

শান্তিগঞ্জে গৃহবধুকে হেনস্থার অভিযোগ স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে :

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: / ৯১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩

সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বিগত ১০ জুলাই ২০২৩ তারিখে রাত আনুমানিক ৯.৩০ মিনিটে সামীমা মুফছিন তান্নি নামে এক গৃহবধূকে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা আবু তাহের নীরব ও তার সহযোগীরা প্রকাশ্যে রাস্তার উপর থেকে জোরপূর্বক একটি সাদা মাইক্রোবাসে তোলার চেষ্টা করে। সামীমা বাজার থেকে ফেরার পথে নীরব ও ৭-৮ জন সহযোগী তার পথরোধ করে তাকে নানান কুপ্রস্তাব দেয় এবং একটি হোটেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেয়। সামীমা অনুনয় করে জানালে যে, তার ছোট মেয়ে বাসায় একা আছে, তখন নীরব তার হাত ধরে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসের দিকে টেনে নেয়।

সামীমার চিৎকারে আশপাশের দোকানদার ও পথচারীরা এগিয়ে আসলে নীরব ও তার দল সামীমাকে রাস্তার উপর ফেলে পালিয়ে যায়। এতে তার হাঁটু ও হাতে আঘাত লাগে এবং তিনি মানসিকভাবে ভীষণ ভেঙে পড়েন। এর পরবর্তীতে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

ভুক্তভুগি গৃহবধূ পুলিশ এর সাহায্য না পেয়ে ২৫ জুলাই ২০২৩ তারিখে সুনামগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আবু তাহের নীরব ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং নীরব ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই আবু তাহের নীরব সামীমাকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। নীরব তার রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি করে চলছে।

স্থানীয় এক দোকানদার (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “আমরা নিজের চোখে দেখেছি, কীভাবে রাস্তার মাঝে মহিলাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এত বড় ঘটনা ঘটলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায় না, কারণ নীরবের রাজনৈতিক প্রভাব অনেক।” মামলার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই প্রকাশ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, মামলা করার পর থেকে তারা বিভিন্ন ধরনের হুমকি পাচ্ছেন। তারা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হয়।
এ ব্যাপারে নীরবের ফোনে অনেকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি। সংশ্লিষ্ট থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মামলার কাগজপত্র হাতে পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...