শিরোনাম :
বিশ্বকাপ দেখা যাবে বিটিভিতে, ৭৩ কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে সম্প্রচারস্বত্ব হবিগঞ্জে চেয়ারম্যানের পদ দখল নিয়ে ৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত হবিগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া বাস খাদে, নারী-শিশুসহ নিহত ৪ সিলেটসহ বিভিন্ন সীমান্তের নিরাপত্তায় বিজিবির পাশাপাশি আনসার হামহাম জলপ্রপাত রোমাঞ্চ প্রিয়দের হাতছানি দিচ্ছে কুরমার গহীন অরণ্য অন্তর্বর্তী সরকারের ১২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত : আইনমন্ত্রী অনিয়মে জড়িত আইন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল এক-এগারোর আলোচিত জেনারেল মাসুদ ফের রিমান্ডে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ‘ভয়ংকর’ ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ গণপরিবহনে বসছে জিপিএস সিস্টেম
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন

নাসির গ্রুপের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

এম আজিজুর রহমান, ঢাকা / ৬১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী নাসির গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজকে ঘিরে উঠেছে গুরুতর আর্থিক দুর্নীতি ও ক্ষমতাসীন মহলের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত অবৈধ সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ। গোপন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম বিশ্বাস এই অভিযোগের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মরহুম নাসির উদ্দিন বিশ্বাসের হাতে গড়ে ওঠা এই শিল্প প্রতিষ্ঠান এখন তার উত্তরসূরিদের হাত ধরে নৈতিকতা ও স্বচ্ছতার পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন ১৬টি ইউনিটের বার্ষিক আয় প্রায় ছয়শো কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেলেও, সেই আয়ের প্রেক্ষিতে কর প্রদানে যথাযথতা বজায় রাখা হয়নি বলে জানা গেছে।

২০২২ সালের শেষার্ধে, নাসির গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য একটি ‘ভুয়া ব্যবসায়িক প্রোফাইল’ প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত হয় কোম্পানির শীর্ষপর্যায় থেকে। ঐ প্রোফাইলে সংযোজিত মিথ্যা ও ভ্রান্ত তথ্য পরবর্তীতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) এবং রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC)-এর নিকট উপস্থাপন করা হয়। বিষয়টি জানিয়ে একটি অনামী উৎস হতে সংস্থাগুলোর কাছে লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করা হলেও, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, BSEC ও RJSC-এর কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে, যারা কৌশলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। একইসাথে গঠিত হয়েছে একটি বিস্তৃত প্রভাবশালী সিন্ডিকেট—যাতে সরকারি প্রশাসন, ব্যাংক খাত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সদস্যের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষত রাজনৈতিক মদদ ছাড়া এত বড় মাত্রার আর্থিক অনিয়ম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা। একাধিক সূত্রের দাবি, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, যিনি ‘লোটাস কামাল’ নামে পরিচিত, তার নামও এই প্রক্রিয়ায় জড়িত হিসেবে উঠে এসেছে।

নাসির গ্রুপ ও অভিযুক্ত সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাদের পক্ষ থেকে এ রিপোর্ট লেখার আগ পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরো সংবাদ পড়ুন...