শিরোনাম :
ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক, স্ত্রী গ্রেপ্তার সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: কূটনৈতিক ঘাটতি প্রশ্নে যা বললেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন সিলেটের এহতেশাম ও প্রীতম, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল আজ থেকে ফের রাত ৮টায় বন্ধ করতে হবে দোকানপাট জৈন্তাপুরে দুই মেম্বারের সমর্থকদের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫ সিলেটে ২৭ দিনে ৫ খুন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া সেই আসির মিয়া পানসি রেস্টরেন্ট থেকে গ্রেপ্তার দীর্ঘসময় ইতালির ক্ষমতায় থাকা মেলোনিকে মোদীর শুভেচ্ছা, বার্তায় কী লিখা ছিল? লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে সিলেটের যুবক নিহত ফ্যামিলি কার্ড : দিরাইয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রদলের অবস্থান
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন

স্থানীয় বাজারে চাঁদাবাজি বৃদ্ধি, স্থানীয় জনমনে চরম উদ্বেগ

সৈয়দ জিলাল আহমেদ, ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার: / ১০০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৩

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার বিভিন্ন স্থানীয় বাজারে সম্প্রতি চাঁদাবাজির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পরিবহন সংশ্লিষ্ট অনেকেই অভিযোগ করছেন—কিছু প্রভাবশালী ও রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিদের নেতৃত্বে নিয়মিতভাবে অর্থ দাবি ও চাঁদা তোলার ঘটনা ঘটছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের বেলা বা দোকান খোলার সময় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। চাঁদা না দিলে নানা ধরনের হুমকি, দোকান ভাঙচুর এবং ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে। অনেকেই নিরাপত্তার অভাবে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না।

বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কয়েকজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কিছুদিন ধরে রাজনগর, মনসুরনগর, কামারচাকসহ আশপাশের বাজারগুলোতে চাঁদাবাজির মাত্রা অনেক বেড়ে গেছে। তাদের দাবি, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে চাঁদাবাজি থামাতে প্রশাসনের উদ্যোগ খুব একটা চোখে পড়ছে না।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ—চাঁদাবাজির সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের কিছু সন্ত্রাসী যুক্ত থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তারা জানান, যদি এখনই ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে রাজনগরের বাজারগুলোতে ব্যবসা করা আরও কঠিন হয়ে পড়বে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

স্থানীয় সমাজকর্মীরা বলছেন, চাঁদাবাজি বন্ধ ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য যৌথভাবে পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের জরুরি উদ্যোগ প্রয়োজন। নতুবা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়তে পারে।

প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কারও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরো সংবাদ পড়ুন...