শিরোনাম :
বিশ্বকাপ দেখা যাবে বিটিভিতে, ৭৩ কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে সম্প্রচারস্বত্ব হবিগঞ্জে চেয়ারম্যানের পদ দখল নিয়ে ৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত হবিগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া বাস খাদে, নারী-শিশুসহ নিহত ৪ সিলেটসহ বিভিন্ন সীমান্তের নিরাপত্তায় বিজিবির পাশাপাশি আনসার হামহাম জলপ্রপাত রোমাঞ্চ প্রিয়দের হাতছানি দিচ্ছে কুরমার গহীন অরণ্য অন্তর্বর্তী সরকারের ১২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত : আইনমন্ত্রী অনিয়মে জড়িত আইন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল এক-এগারোর আলোচিত জেনারেল মাসুদ ফের রিমান্ডে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ‘ভয়ংকর’ ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ গণপরিবহনে বসছে জিপিএস সিস্টেম
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন

চলে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার

অনলাইন ডেস্ক / ২১৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪

শান্তিতে নোবেল পুরস্কারজয়ী যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন।

স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের প্লেইনসে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন, যার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। জিমি কার্টারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তার প্রতিষ্ঠিত কার্টার সেন্টার।


কার্টার গত কয়েক বছর ধরে ত্বকের ক্যানসারসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

জিমি কার্টারই প্রথম আমেরিকান প্রেসিডেন্ট, যিনি তার ১০০তম জন্মদিনে পৌঁছেছিলেন। গত অক্টোবর মাসে তার ১০০তম জন্মদিন উদযাপন হয়।

তিনি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জর্জিয়ার প্লেইন্সে তার বাড়িতে ‘হসপিস কেয়ার’-এ ছিলেন। সেখানে তিনি তার স্ত্রী রোজালিন কার্টারের সঙ্গে থাকতেন, তবে সাবেক ফার্স্ট লেডি রোজালিন ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর মারা যান।

প্রথম জীবনে জিমি কার্টার ছিলেন একজন চীনাবাদাম বিক্রেতা। তিনি তার বাড়িতে চীনাবাদামের চাষ করতেন। পরবর্তী জীবনে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্ট হন।

ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পর জর্জিয়ার স্থানীয় এবং একজন ডেমোক্র্যাট হিসেবে ১৯৭৬ সালে রিপাবলিকান জেরাল্ড ফোর্ডকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জিমি কার্টার।

ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত জিমি কার্টার ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মধ্যেই তাকে কাজ করতে হয়।

১৯৮০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী রোনাল্ড রিগ্যানের কাছে পরাজিত হয়ে হোয়াইট হাউস ছাড়েন কার্টার। জনপ্রিয়তা হারিয়ে হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজের সুনাম বৃদ্ধি করেন তিনি।

আন্তর্জাতিক সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে পেতে নিরলস প্রচেষ্টা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতিসাধন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২২ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়।

এক বিবৃতিতে জিমি কার্টারের ছেলে চিপ কার্টার বলেন, ‘আমার বাবা একজন নায়ক ছিলেন, শুধু আমার কাছেই নয়, যারা শান্তি, মানবাধিকার ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন, এমন সবার কাছেই।’

জিমি কার্টার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় থাকাকালীন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক দুর্দশা চলছিল। তার শাসনকালেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে আমেরিকান ৫২ কূটনীতিক ও নাগরিককে জিম্মি করা হয়েছিল।

তিনি ক্ষমতা ছাড়ার পর এ জিম্মিদশার অবসান হয়। অবশ্য ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে কার্টারের ভূমিকা ছিল। এর মধ্য দিয়ে মিসর ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তিচুক্তি সম্ভব হয়।

জিমি কার্টার চার সন্তান ও ১১ নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। তার স্ত্রী রোজালিন ২০২৩ সালের নভেম্বরে মারা যান। ১৯৪৬ সালে রোজালিনকে বিয়ে করেন কার্টার।


আরো সংবাদ পড়ুন...