গোলাম মাওলা/ ক্রাইম রিপোর্টার: পরিবারের এক সদস্য বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার পর সিলেটের একটি পরিবারের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদাবাজি এবং প্রতিশোধমূলক আচরণের অভিযোগের জেরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
কানাডা থেকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথা বলতে গিয়ে দিদারুল ইসলাম টিপু সাবেক আওয়ামী লীগপন্থী সাংসদ মুহাম্মদ হুসামুদ্দিন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হারুনুর রশিদের মতো ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়ার এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। তিনি বর্ণনা করেন, কীভাবে তার পরিবারের—বিশেষ করে তার মা ও বোনের—ওপর ক্রমাগত হয়রানি ভয় ও মানসিক আঘাতের এক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যা শেষ পর্যন্ত এই ঘটনাগুলো প্রত্যক্ষ করার পর তার বাবার মারাত্মক মানসিক আঘাতের কারণ হয়।
বাবার মৃত্যুর পর টিপুর ভাই জহিরুল ইসলাম ধুঁকতে থাকা পারিবারিক ব্যবসা সামলাতে এগিয়ে আসেন। তবে, মা ও বোনের ওপর হওয়া হয়রানির বিচার এবং বাবার মৃত্যুর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির জন্য জবাবদিহিতা চাওয়ার চেষ্টাই তাকে পরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে বলে জানা গেছে। পরিবারের ভাষ্যমতে, ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তাকে জাকিগঞ্জ থানায় তলব করা হলে অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আবদুর রাজ্জাক আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত রাখলে তাকে একটি হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
পরিবারের আরও অভিযোগ, ওসি রাজ্জাক মুহাম্মদ হুসামউদ্দিন চৌধুরী এবং তার সহযোগী হারুনুর রশিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতেন। আওয়ামী লীগ আমল থেকে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের আঁতাত ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে—তাদের দাবি, রাজনৈতিক দলবদলের পরেও এই সম্পর্ক বজায় ছিল। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্রমবর্ধমান চাপ এবং ক্রমাগত চাঁদাবাজির মুখে পড়ে পরিবার জানায়, নিরাপত্তার ভয়ে তারা শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচারের জন্য তাদের প্রচেষ্টা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
পরিবারের এক সদস্য বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার পর সিলেটের একটি পরিবারের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদাবাজি এবং প্রতিশোধমূলক আচরণের অভিযোগের জেরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
কানাডা থেকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথা বলতে গিয়ে দিদারুল ইসলাম টিপু সাবেক আওয়ামী লীগপন্থী সাংসদ মুহাম্মদ হুসামুদ্দিন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হারুনুর রশিদের মতো ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়ার এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন।
তিনি বর্ণনা করেন, কীভাবে তার পরিবারের—বিশেষ করে তার মা ও বোনের—ওপর ক্রমাগত হয়রানি ভয় ও মানসিক আঘাতের এক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যা শেষ পর্যন্ত এই ঘটনাগুলো প্রত্যক্ষ করার পর তার বাবার মারাত্মক মানসিক আঘাতের কারণ হয়।
বাবার মৃত্যুর পর টিপুর ভাই জহিরুল ইসলাম ধুঁকতে থাকা পারিবারিক ব্যবসা সামলাতে এগিয়ে আসেন। তবে, মা ও বোনের ওপর হওয়া হয়রানির বিচার এবং বাবার মৃত্যুর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির জন্য জবাবদিহিতা চাওয়ার চেষ্টাই তাকে পরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে বলে জানা গেছে।
পরিবারের ভাষ্যমতে, ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তাকে জাকিগঞ্জ থানায় তলব করা হলে অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আবদুর রাজ্জাক আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত রাখলে তাকে একটি হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
পরিবারের আরও অভিযোগ, ওসি রাজ্জাক মুহাম্মদ হুসামউদ্দিন চৌধুরী এবং তার সহযোগী হারুনুর রশিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতেন।
আওয়ামী লীগ আমল থেকে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের আঁতাত ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে—তাদের দাবি, রাজনৈতিক দলবদলের পরেও এই সম্পর্ক বজায় ছিল। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্রমবর্ধমান চাপ এবং ক্রমাগত
চাঁদাবাজির মুখে পড়ে পরিবার জানায়, নিরাপত্তার ভয়ে তারা শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচারের জন্য তাদের প্রচেষ্টা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।