শিরোনাম :
ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক, স্ত্রী গ্রেপ্তার সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: কূটনৈতিক ঘাটতি প্রশ্নে যা বললেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন সিলেটের এহতেশাম ও প্রীতম, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল আজ থেকে ফের রাত ৮টায় বন্ধ করতে হবে দোকানপাট জৈন্তাপুরে দুই মেম্বারের সমর্থকদের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫ সিলেটে ২৭ দিনে ৫ খুন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া সেই আসির মিয়া পানসি রেস্টরেন্ট থেকে গ্রেপ্তার দীর্ঘসময় ইতালির ক্ষমতায় থাকা মেলোনিকে মোদীর শুভেচ্ছা, বার্তায় কী লিখা ছিল? লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে সিলেটের যুবক নিহত ফ্যামিলি কার্ড : দিরাইয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রদলের অবস্থান
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন

মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৩৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সম্প্রতি শেষ হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফেনীর সোনাগাজী থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনে বাঁধা ও ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে মামলাটি করেছেন সংশ্লিষ্ট থানার একজন সাব ইন্সপেক্টর। এ মামলায় বিরোধী দলের সর্মথক ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে আসামি করা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই মামলার ২ নং আসামি মোঃ মহি উদ্দিন কানাডা থেকে জানান ,এটি একটি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা। তিনি দাবি করেন বিএনপি নেতা সোহান এর সাথে পূর্বশত্রতার জের ধরে তাকে ও তার ভাইকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

তিনি বলেন এই নির্বাচনে তিনি দেশেই ছিলেন না। ভুক্তভোগী মহি জানান, বেশ কয়েক বছর ধরে সোহান তাকে ও তার স্ত্রীকে হয়রানি ও নির্যাতন করে আসছিলেন।

এই ঘটনায় ফেনী জেলা জজ কোর্ট এ একটি মামলাও বিচারাধীন এবং সোহান জামিনে আছেন বলে জানান তিনি। পুলিশ এর কাছ থেকে কোনো সাহায্য পাননি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভুগীর পরিবার।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রতিবেশী জানান, সোহান ও তার গুণ্ডাবাহিনীর নির্যাতনে মহি ও তার পরিবার এখন এলাকা ছাড়া।

পরিবারের অভিযোগ, কয়েক বছর আগে সোহান এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর থেকেই তাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ, ভয়ভীতি ও হয়রানি চলছিল।

পরবর্তীতে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সোহান এর প্রভাব আরও বৃদ্ধি পায় এবং সেই প্রেক্ষাপটে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে মামলার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একাধিকবার অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে তার অবস্থান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন বলে পরিবারের দাবি। শুধু তাই নয়, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের কাছেও বিভিন্ন ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবীর ভাষ্য, তার মক্কেল মামলার কথিত ঘটনার সময় বাংলাদেশে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি বলেন, মামলার অভিযোগ ও সময়কাল যাচাই করলে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মামলা সংক্রান্ত কাগজ তারা হাতে পেয়েছেন এবং মামলাটি বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...