মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সুহেল আহমদ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এলাকাবাসীর তীব্র প্রতিক্রিয়া

জেলা প্রতিনিধি: / ১০৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪

জগন্নাথপুরের উপজেলার ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মী সুহেল আহমদ এবং তার ভাই মোহাম্মদ সামন কামরান মাসুম-এর বিরুদ্ধে ২০ মে ২০২৪ তারিখে দায়ের করা একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আলাল হোসেন রানার বড় ভাই, জনাব আলতাফ হোসেন এই মামলাটি দায়ের করেন বলে জানা যায়।

উল্লেখিত মামলায় বলা হয় জনাব সুহেল এবং তার ভাই তার কাছ থেকে অর্থ ধার নিয়ে তা পরিশোধ করেননি। অথচ মামলায় যে সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই সময় সুহেল আহমদ বাংলাদেশে ছিলেনই না, বরং তিনি ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর কানাডায় গমন করেন বলে জানান ভুক্তভোগী সুহেল।

জনাব সুহেল আরো জানান, দেশে থাকাকালীন রানা ও চাচাতো ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম এর দ্বারা নানান ভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে এবং তাদের বিরুদ্ধে তিনি মামলাও করেছেন। মামলা প্রত্যাহার না করায় এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের বিরুদ্ধে এই মিথ্যা মামলা হয়েছে। স্থানীয় অনেকেই এই অভিযোগে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

একাধিক প্রতিবেশী ও ব্যবসায়ী জানান, সুহেল আহমদ একজন, সৎ ও সমাজসচেতন ব্যক্তি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পেশাদারভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে এমন আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ “হাস্যকর ও ভিত্তিহীন”বলে দাবি করেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রতিবেশী বলেন, “জনাব সুহেল এলাকার একজন পরিচিত ব্যবসায়ী এবং কাউকে ঠকানোর প্রশ্নই আসে না। তার পরিবারের বিরুদ্ধে বারবার মামলা ও পুলিশি হয়রানি আমাদেরকেও আতঙ্কিত করে তুলছে।”

বর্তমানে সুহেল আহমদের স্ত্রী,সন্তান সহ পরিবার এর সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না বলে জানান তার স্ত্রী। তারা বিভিন্ন মহল এবং পুলিশ এর কাছ থেকে থেকে নানানভাবে হুমকি পাচ্ছেন বলে জানান তাদের পরিবার একজন সদস্য। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, যদি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক নিরাপদ না হন, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়। এ মামলার ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাননি মামলার বাদী আলতাফ হোসেন। সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন।


আরো সংবাদ পড়ুন...