সিলেটের বিয়ানীবাজারে এক স্বর্ণব্যবসায়ীর শোরুমে সংঘটিত ভয়াবহ চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে। চোরচক্র শোরুমের প্রধান তালা ভেঙে প্রবেশ করলেও ভল্ট ভাঙেনি। বরং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ভল্ট খুলে সব স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়।
শোরুম মালিক আব্দুল হামিদ খান বলেন, “এটি সাধারণ চুরি নয়, পরিকল্পিত কাজ। কারণ ভল্টের পাসওয়ার্ড কেবল আমার ও আমার সাবেক পার্টনারের জানাছিল।”তিনি দাবি করেন, চুরিকৃত স্বর্ণের বাজার মূল্য অর্ধকোটি টাকারও বেশি।
তিনি আরো বলেন, একা জেতার সন্দেহ সাবেক পার্টনার বাবুল হক এবং তার অনুসারীরা। উল্লেখ্য বাবুল হক স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা এবং বিয়ানীবাজার যুবলীগসহ সভাপতি মাকসুদুল হক আউয়াল চাচাতো ভাই।
ঘটনার রাতের প্রহরী জানান, সন্দেহজনক ভাবে কয়েকজনকে ঘোরাফেরা করতে তিনি দেখেছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবী, চোরদের পক্ষে প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতা থাকতে পারে।
চুরির ঘটনার পর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেও পুলিশ এর কাছ থেকে কোনো সাহায্য পাচ্ছেননা বলে জানান ভুক্তভোগী হামিদ।
স্থানীয় স্বর্ণব্যবসায়ী সমিতি দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেছে, বিয়ানীবাজার সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় স্বর্ণ চোরাচালান ও চুরির ঘটনা বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানিয়েছেন।
এব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি বাবুল হক। বিয়ানীবাজার পুলিশ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি অবগত আছেন বলে জানান।