শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
/ আইন-অপরাধ
কথিত নিপীড়ন এবং একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া মো. শাহ নওয়াজ দাবি করেছেন যে, তার অনুপস্থিতিতে আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ তার পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করে চলেছে। বিদেশ থেকে আরো সংবাদ পড়ুন...
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কর্তব্যরত অবস্থায় আহত ও অসুস্থ পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার জন্য এবং নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সহায়তার জন্য ডিএমপির কল্যাণ তহবিল থেকে ৭৫ লাখ ৯৭ হাজার ২৯২ টাকার
এস আলম গ্রুপের সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন ২৪টি কোম্পানির সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ৩২ কোটিরও বেশি শেয়ার অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর
হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানার সহ-সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেনকে (২৪) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-২। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব-২ এর
গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা তথ্য বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত বলে উল্লেখ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস। একইসঙ্গে এ
সাইফুল মিয়া, কুলাউড়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের এক প্রতাপশালী স্থানীয় নেতা যার দৌরাত্ম্য এখনও চলমান। ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ পনের বছরের শাসনামলে তিনি ছিলেন একচ্ছত্র আধিপত্যবাদী মূর্তিমান আতংক। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের
১৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জের এক হিন্দু পরিবার ইসলামী চরম পন্থীদের নৃশংস হামলার শিকার হয়। চরমপন্থী নেতা মাওলানা আজহার আলীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়, যা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ
সরকারের কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ছাত্র আন্দোলন তীব্রতর হওয়ার সাথে সাথে গাজীপুর থেকে উদ্বেগজনক অভিযোগ উঠে এসেছে। কানাডায় বসবাসকারী এবং কর্মরত বাংলাদেশী প্রবাসী মো. সাইফুর রহমান খান এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন